কাজল মিত্র : আসানসোল : খসড়া তালিকা প্রকাশের পর চমকে দেওয়ার মতো তথ্য কুলটিতে। উদ্বেগে রাজনৈতিক মহল। কুলটির নিষিদ্ধপল্লী সংলগ্ন চারটি বুথে ভোটার তালিকা থেকে বাদ, মোট ভোটারের অর্ধেকের বেশি ভোটার।এসআইআরের শুরুতে চারটিতে মোট ভোটার ছিল ৩ হাজার ৬২৭। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর নাম বাদ ৭৪২ জনের। যার মধ্যে মৃত – ১৩৯। অন্যত্র চলে গেছে – ৬৯ জন। এই চার বুথে ৫৩৪ জনের কোন হদিস পাওয়া যায়নি যাঁরা এনুমারেশন ফর্ম তুলে আর জমা দেয়নি।এছাড়াও ২০০২ এর তালিকাযর সাথে ম্যাপিং করা যায়নি ভোটারের সংখ্যা ৬৮৪। উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এলো কুলটি বিধানসভার নিয়ামতপুর ফাঁড়ি সংলগ্ন লছিপুর যৌনপল্লী এলাকাগুলিতে।

বিরোধীদের অভিযোগ ভোটার নেই। কিন্ত ভোটার তালিকায় এই নাম রেখে দেওয়া হয়েছিল। শাসক দল তৃণমূল এই ভুতুড়ে ভোটারদের কাজে লাগিয়েছে বছরের পর বছর। আরও অভিযোগ বাদ যাওয়া নামগুলিতে মহিলার সংখ্যা প্রায় ৮০ শতাংশ। নিষিদ্ধপল্লী এলাকায় বাংলাদেশী যোগ থাকার অভিযোগ বিরোধীদের।অভিযোগ অস্বীকার শাসক দল তৃণমূলের। তাঁরা এই নাম বাদ যাওয়ার পেছনে দায় চাপিয়েছেন বিএলওদের ওপর। পাশাপাশি সাফাই যৌনকর্মীরা বাড়ির পরিচয় গোপন রেখে এখানে ব্যবসা করতে আসেন। তাঁরা ভয় পেয়ে অন্যত্র চলে গেছেন বা ফর্ম তুলেও জমা করেননি। এখানে বাংলাদেশীর সংযোগ নেই।
