কাজল মিত্র : বাংলা -ঝাড়খণ্ড সীমানার ডুবুরডিহি চেকপোস্টকে ঘিরে আবারও উঠল অবৈধ আদায়ের অভিযোগ। ট্রাক চালকদের একাংশের দাবি, কাগজপত্র পরীক্ষার নামে প্রতিটি গাড়ি থেকে ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। অভিযোগ, টাকা না দিলে দীর্ঘক্ষণ গাড়ি আটকে রাখা হচ্ছে। বিশেষ করে কয়লা ও লোহার বোঝাই ট্রাকগুলিকেই বেশি নিশানা করা হচ্ছে বলে দাবি উঠেছে।
স্থানীয় মহলের একাংশের বক্তব্য, ডুবুরডিহি চেকপোস্ট বহুদিন ধরেই বিতর্কের কেন্দ্রে। অতীতেও এই সীমানা এলাকায় গরু পাচার,কয়লা পাচার, অবৈধ লেনদেন এবং সিন্ডিকেট রাজের অভিযোগ উঠেছে একাধিকবার। এমনকি একসময় চেকপোস্ট সংলগ্ন এলাকায় কয়লা সিন্ডিকেটের অফিস থাকার অভিযোগও সামনে আসে। পরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-র আধিকারিকরাও ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়েছিলেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়।অভিযোগ উঠেছে,সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতি বদলানোর দাবি করা হলেও বাস্তবে অবৈধ আদায় পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। ট্রাক চালকদের দাবি, রাতের সময় বিশেষভাবে এই আদায়ের ঘটনা বেড়ে যায়। এতে পরিবহণ খরচ বাড়ছে এবং সাধারণ ব্যবসায়ীরাও সমস্যার মুখে পড়ছেন।বিরোধীদের দাবি, ডুবুরডিহি চেকপোস্ট দীর্ঘদিন ধরেই একটি ‘সংবেদনশীল করিডর’ হিসেবে পরিচিত, যেখানে অবৈধ কারবার ও সিন্ডিকেটের প্রভাব নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও উঠছে নানা প্রশ্ন।অন্যদিকে প্রশাসনের তরফে পূর্বেও জানানো হয়েছিল, সমস্ত যানবাহনের পরীক্ষা নিয়ম মেনেই করা হয় এবং অবৈধ আদায়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন। বর্তমান ঘটনাতেও পুলিশের দাবি, নিয়ম অনুযায়ী গাড়ি পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং বেআইনি টাকার কোনও বিষয় নেই।তবে একের পর এক অভিযোগ, অতীতের বিতর্ক এবং বর্তমান পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে ফের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ডুবুরডিহি চেকপোস্টকে ঘিরে।
ডুবুরডিহি চেকপোস্টে ফের অবৈধ আদায়ের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরবতা ঘিরে প্রশ্ন
