কাজল মিত্র: বিজেপি ও তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সালানপুর ব্লকের আছড়া এলাকা ।ঘটনার জেরে তৃণমূলের দুই কর্মীকে গুরতর অবস্থায় আসানসোল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্যদিকে বিজেপির দশ জন কর্মীর ও মাথায় চোট লাগে তাদের পিঠাকেরী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্যে পাঠানো হয় ।ঘটনার সম্পর্কে জানা যায় যে বিজেপির কিছু কর্মী সমর্থক আছাড়া পঞ্চায়েত এলাকায় পঞ্চায়েত এর নিকট একটি বাড়ির সামনে দুটি পিকাপ ভেন দেখতে পায়। তখন তারা সেখানে গিয়ে জিজ্ঞাসা করে ,এত রাতে গাড়িতে করে কি নামানো হচ্ছে।সেই কথা বলতে যাওয়াতেই পল্লব তেওয়ারি ও রনি তেওয়ারি তাদের উপর বন্দুক নিয়ে আচমকা হামলা চালায় বলে অভিযোগ।এরপরেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ।বিজেপির দলীয় কর্মীদের ওপর হামলার খবর পেয়ে আশপাশের এলাকা থেকে কয়েকজন বিজেপি কর্মী ছুটে আসে।তৃণমূলের কর্মীদের পাল্টা অভিযোগ প্রায় কয়েকশ বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতী তাঁদের ওপর চড়াও হয় ।যার ফলে তাদের মাথা ফেটে যায় । তাছরা তৃণমূল কর্মীদের মারধরের পাশাপাশি,একটি বাইকও আগুন ধরানো হয় বলে অভিযোগ।পরিস্থিতি সামাল দিতে রুপনারায়নপুর ফাঁড়ির বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপির পাল্টা দাবি, তৃণমূল-আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এলাকায় সন্ত্রাস সৃষ্টির চেষ্টা করায় জনরোষের শিকার হয়।

এই বিষয়ে বিজেপি নেতা গোপাল রায় জানান
আছড়া পঞ্চায়েত এলাকার কিছু যুবক রাতের অন্ধকারে দুটি গাড়ি দেখতে পেয়ে গাড়ির কাছে গিয়ে চালককে জিজ্ঞাসা করে ,গাড়ির মধ্যে কি রয়েছে ।তারা কিছু না বলায় হঠাৎ করে স্থানীয় তৃণমূলের প্রাক্তন উপপ্রধান হরেরাম তেওয়ারি ভাইপো পল্লব তেওয়ারি ও রনি তেওয়ারি তাদের উপর হামলা চালায় ।যার ফলে তারা গুরুতর যখম রয়েছে এবং দুইজনকে আসানসোল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।অন্যদিকে হরেরাম তিওয়ারির ভাগ্না সঞ্জয় সুকুল এর অভিযোগ তার একটি স্কুল রয়েছে সেই স্কুলের বই খাতা গাড়ি থেকে নামানো হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে কিছু দশ পনেরো জন মত বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতী তাদের কাছে লাঠি রড নিয়ে এসে মারধর শুরু করে ,এবং তাদের গাড়িতে আগুন লাগানোর চেষ্টা করে এবং সংঘর্ষের জেরে ম পল্লব তেওয়ারি ও রনি তেওয়ারি গুরুতর যখম হয় ।তবে এবিষয়ে দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন ।
