কাজল মিত্র: বর্ষার মরসুমে জলের তোড়ে নিয়মিতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বার্নপুরের রিভারসাইড (ল্যামায়ার্স পার্কের কাছে)
দামোদর নদের উপর তৈরি এই বাসের সেতুটি ।
পশ্চিম বর্ধমান জেলার সাথে বাঁকুড়ার বিহারীনাথ হিলস এবং পুরুলিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চলের সাথে যুক্ত করে এই বাসের সেতু।বর্ষাকালে মাইথন ও পাঞ্চেত ড্যাম থেকে জল ছাড়া হলে এবং ভারী বৃষ্টি হলে এই অস্থায়ী কাঠের সেতুটি প্রায়ই ভেঙে বা ভেসে যায়। এর ফলে বাঁকুড়া ও আসানসোলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং নিত্যযাত্রী ও বিশেষ করে শ্রাবণ মাসের পুণ্যার্থীদের (যারা বিহারীনাথ মন্দিরে যান) চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়

দামোদর নদের উপর স্থায়ী সেতু না থাকায় সমস্যা হয় নিত্য যাত্রীদের । সেতু ভেঙে গেলে নদী পারাপারের জন্য নৌকা ব্যবহার করতে হয়, যা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। সড়কপথে যাতায়াতের জন্য তখন প্রায় ৫০ কিলোমিটার ঘুরতি পথ ব্যবহার করতে হয়। সেক্ষেত্রে একমাত্র ভরসা হলো মেজিয়া সেতু (NH 60) যা রানিগঞ্জ ও মেজিয়াকে যুক্ত করে অথবা দুর্গাপুর ব্যারেজ।
এখানে একটি স্থায়ী কংক্রিটের সেতুর জন্য স্থানীয় মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বিক্ষোভ ও আন্দোলন করছেন। সাম্প্রতিক রাজ্য বাজেটে বার্নপুর ও বাঁকুড়াকে সংযোগকারী এই স্থায়ী সেতুটি নির্মাণের বিষয়ে প্রশাসনিক তৎপরতার কথা উঠে এসেছে। এখন দেখার বর্তমান ডবল ইঞ্জিন এর সরকার এই সেতু নির্মাণ করতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
