দুর্গাপুর : আগামী ৪ ঠা নভেম্বর হতে চলেছে, দুর্গাপুর মহকুমা বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন। এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, গণতন্ত্রের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ , যারা হলেন আইনজীবীরা। সবসময় সঠিক বিচার পেতে, প্রতিটি মানুষকে সহযোগিতা করেন এই আইনজীবীরা। দুর্গাপুর বার অ্যাসোসিয়েশনের আসন্ন নির্বাচনে সেই আইনজীবীরাই, তাঁদের নিজেদের ভোট দানের মধ্যে দিয়ে, আগামী তিন বছরের জন্য নতুন সভাপতি, সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ সহ অন্যান্য পদাধিকারীদের নির্বাচিত করবেন। এবং ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে আসা দুর্গাপুর বার অ্যাসোসিয়েশনের নতুন সদস্য ও সদস্যারা, আগামী তিন বছর , সমস্ত আইনজীবীদের কল্যাণের স্বার্থে কাজ করবেন। ইতিমধ্যেই দুর্গাপুর বার অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনের সমস্ত আয়োজন সম্পূর্ণ হয়েছে। সমস্ত প্রার্থীদের ছবি সহ বড় বড় হোল্ডিং পোস্টারে , এখন ছেয়ে গিয়েছে আদালত চত্বর ।

প্রার্থীদের প্রচার পর্বও প্রায় শেষ। এখন নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হতে, যে টুকু সময়ের অপেক্ষা । আইনজীবীদের সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুর মহকুমা আদালত বার অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনে এবার মোট ২৬ টি আসনে ৯৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন । মোট ভোট দাতার সংখ্যা ৯২৪ জন। ৪ঠা নভেম্বর বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন এবং ৫ই নভেম্বর ভোটের ফল ঘোষণা হবে। তাই দুর্গাপুর বার অ্যাসোসিয়েশন আইনজীবীদের নির্বাচন ও হাড্ডাহাড্ডি লড়াইকে নিয়ে দুর্গাপুর বাসিন্দাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বিশেষ কৌতুহল । তবে , এবারের বার অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনে দুর্গাপুরের দীর্ঘদিনের জনপ্রিয় আইনজীবী সঞ্জীব কুন্ডুর নজর কেড়েছে সবার। বিগত দিন গুলিতে সঞ্জীব বাবু সুনামের সঙ্গে, বার অ্যাসোসিয়েশনের লাইব্রেরিয়ান পদে থেকে বহু কাজ করেছেন। পাশাপাশি সমস্ত আইনজীবীদের কাছেও তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় । এবার তিনি দুর্গাপুর বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন। আর তাঁর প্রচারে, এবার উঠে এসেছে অভিনবত্ব ।

আদালতে সকলের স্বাধীন ভাবে কাজ করার অধিকার, সিনিয়ার আইনজীবীদের সম্মান, তরুন আইনজীবীদের বেশি বেশি কাজে সুযোগ , মহিলা আইনজীবীদের নিরাপত্তা, কাজের সুন্দর পরিবেশ তৈরি, আইনজীবীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সহ মোট ৫৬ টি প্রতিশ্রুতি ঘোষণার মধ্যে দিয়ে সমস্ত আইনজীবীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। আর তাঁর এই প্রচার অনেকটাই পেছনে ফেলেছে, তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীদের । সেই হিসাবে তাঁর সভাপতি হিসেবে নির্বাচনে , জয় যে নিশ্চিত , তা মেনে নিয়েছেন বহু আইনজীরা। তবে আদালতের পরিকাঠামোর উন্নয়ন , সকল আইনজীবীদের কল্যাণের পাশাপাশি বিচার প্রক্রিয়াকে আরো গতিশীল করাটাই তাঁর অঙ্গীকার ও মূল লক্ষ্য। সঙ্গে তিনি পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দিয়েছেন , এই নির্বাচন হলো ভাতৃত্বপূর্ণ একটা লড়াই , কিন্তু দিনের শেষে আমরা সবাই এক। এছাড়াও তিনি বলেন ।——-
