কাজল মিত্র: চিত্তরঞ্জন চক্রের রামমোহন জোনের অন্তর্ভুক্ত বিদ্যালয়গুলির ৪১-তম শীতকালীন বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হলো সামডি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। এখানে ফুলবেড়িয়া-বোলকুন্ডা, সামডি, আছড়া এবং কল্যা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কুড়িটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নিম্ন বুনিয়াদি ও শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের প্রায় আড়াইশো পড়ুয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তারা মোট ৩৭ টি ইভেন্টে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করে। উল্লেখ্য, চিত্তরঞ্জন চক্রের অন্তর্গত সাতটি জোনের মধ্যে রামমোহন জোন আয়তনে সবচেয়ে বড়। তাই এই প্রতিযোগিতা থেকে প্রতি ইভেন্টে প্রথম দুজন করে স্থানাধিকারী ২৪ ডিসেম্বর হিন্দুস্তান কেবলস ফুটবল ময়দানে আয়োজিত সার্কেল স্পোর্টসে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে, যেখানে অন্যান্য জোনগুলি থেকে প্রতি বিভাগের প্রথম স্থানাধিকারীরাই এই সুযোগ পাবে। এ বছর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজনে জেলার মধ্যে বেশ কিছু নতুন সংযোজন এই প্রথম করলেন রামমোহন জোনের আয়োজকেরা। এবারই প্রথম প্রতিটি ইভেন্টের প্রথম তিনজনকে জোনের উদ্যোগে শংসাপত্র দেওয়া হয়।

উদ্দীপনাময় এই ক্রীড়া উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছিলেন আসানসোলের মেয়র তথা বারাবনির বিধায়ক বিধান উপাধ্যায়। ছিলেন সালানপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কৈলাশপতি মন্ডল, সহসভাপতি বিদ্যুৎ মিশ্র, চিত্তরঞ্জন চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক পাপিয়া মুখার্জি, জেলা পরিষদের সদস্য বেবি মন্ডল, সালানপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি ভোলা সিং, ললিত দাস, শিক্ষক সংগঠনের নেতা বিপ্লব মন্ডল, সুবীর অধিকারী প্রমুখ।

ক্রীড়া অনুষ্ঠানের যুগ্ম আহ্বায়ক সন্তোষ মন্ডল, পার্থ সরকার এবং কোষাধ্যক্ষ দেবদাস মাজি, শিক্ষক দেবব্রত ব্যানার্জি সহ সকলের প্রচেষ্টায় অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন হয়।
এদিন ক্রীড়ানুষ্ঠানের মঞ্চে ২০২৬ সালে বিদায়ী ৫ শিক্ষক-শিক্ষিকাকে বিশেষ সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। তারা হলেন – পার্থ সরকার, রণেন মন্ডল, মনীষা মাহাতো, পম্পা ব্যানার্জি এবং আভা চক্রবর্তী।
এই আয়োজনে সামডি,ফুলবেড়িয়া- বোলকুন্ডা সহ সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত গুলির বিশেষ সহযোগিতার দিকটি উল্লেখ করেন আয়োজকেরা।
