রাতের অন্ধকারে বিদ্যুৎ দপ্তরের অবৈধ খননে ছিন্নভিন্ন পিডব্লিউডি রাস্তা

কাজল মিত্র : সালানপুর ব্লকের অন্তর্গত দেদুয়া মোড় এলাকায় কোনও অনুমতি ছাড়াই ডব্লিউবিএসইডিসিএল সাব-স্টেশনের সামনে পিডব্লিউডি-র পাকা সড়ক কেটে বিদ্যুৎ দফতরে অবৈধভাবে পিএইচই-র মূল জল পাইপলাইনে সংযোগ বসানো চলছে । যা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ দেখায় স্থানীয়রা ।জানাযায় যে দেন্দুয়া থেকে কল্যাণেশ্বরী–যাবার প্রধান রাস্তা দেন্দুয়া বুস্টিং স্টেশনের ঠিক সামনে রাস্তার উপর রাস্তার ঠিক মাঝ বরাবর কেটে কল্যাণেশ্বরী পিএইচই ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট থেকে সাধারণ মানুষকে অসুবিধায় ফেলে কি ভাবে রাতের অন্ধকারে জেসিপি দিয়ে সরকারি পিডাবলু ডি রাস্তা কেটে এই জলের লাইন নেওয়া হয়েছে ।


যার ফলে প্রধান রাস্তার উপর
গভীর গর্ত, ভাঙা সড়ক ও রাস্তায় বয়ে যাওয়া জল এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। জল লিক হয়ে পুরো রাস্তা জলমগ্ন, রাত নামলেই সেই অদৃশ্য গর্তে যে কোনও মুহূর্তে ঘটতে পারে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। প্রশ্ন উঠছেই—এর দায় নেবে কে?
নিয়ম অনুযায়ী পিডব্লিউডি ও পিএইচই-র লিখিত অনুমতি ছাড়া এক ইঞ্চি মাটিও খোঁড়া যায় না। অথচ এখানে প্রকাশ্যে সমস্ত প্রোটোকলকে পায়ের তলায় পিষে রাস্তার বুকে কুঠারাঘাত করা হয়েছে। করদাতাদের অর্থে তৈরি সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করে জনগণকেই ঠেলে দেওয়া হয়েছে মৃত্যুর মুখে।


ঘটনার পর এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ। স্থানীয়দের দাবি—এটি নিছক ভুল নয়, এটি অপরাধ। অবিলম্বে দোষী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা এবং জরুরি ভিত্তিতে রাস্তা সংস্কার না হলে বড়সড় আন্দোলনের পথে হাঁটবেন তাঁরা।
পিডব্লিউডি আসানসোল ডিভিশনের কার্যনির্বাহী এক অফিসার পরিদর্শনের আশ্বাস দিলেও, পিএইচই দপ্তরের নীরবতা চোখে পড়ার মতো। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা সত্ত্বেও সাড়া মেলেনি। বিদ্যুৎ দপ্তরের এক শীর্ষ আধিকারিক আবার দায় এড়িয়ে জানিয়েছেন, তাঁর নাকি কিছুই জানা নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *