কাজল মিত্র :- গতকাল থেকে শুরু হওয়া এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার মাঝেই পথ আটকে তুমুল বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা।
জানা গেছে, লেফ্ট ব্যাংক এলাকায় ডিভিসি-র নিজস্ব সুরক্ষা বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশের বিশাল পুলিশ বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে উচ্ছেদ অভিযানে নামে কর্তৃপক্ষ। প্রায় ১১০টি ডিভিসি আবাসন বা কোয়ার্টার ভাঙার প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নিজেদের কোয়ার্টার ভাঙার পাশাপাশি লেফ্ট ব্যাংক এলাকায় সাধারণ মানুষের তৈরি ব্যক্তিগত (প্রাইভেট) আবাসন ও দোকানে গিয়েও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অবিলম্বে সেগুলিও ভেঙে ফেলা হবে বলে ভয় দেখানো হচ্ছে।

কোনো আগাম নোটিশ ছাড়াই এই ধরনের হুমকির মুখে পড়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দা শিপ্রা মুখার্জী ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন,কোনো আগাম নোটিশ ছাড়াই ওরা এসে আমাদের ব্যক্তিগত আবাসন ভেঙে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। এই জায়গাটা যে ডিভিসি-র, তার সপক্ষে কোনো সঠিক কাগজপত্র আগে দেখাক কর্তৃপক্ষ। আমাদের জানা মতে, এখানে বন দপ্তর এবং ভেস্টেড (খাস) জমি রয়েছে। যেখানে বিগত ৫০ বছর ধরে বহু গরিব মানুষ ঘরবাড়ি ও দোকানপাট করে জীবনযাপন করছেন। এখন হঠাৎ সেই জমির দিকে ডিভিসি নজর দিয়েছে।”

উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ঘটনাস্থলে মোতায়েন পুলিশ আধিকারিকরা হস্তক্ষেপ করেন। পুলিশের মধ্যস্থতায় ডিভিসি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের রাস্তার মধ্যেই কথা বার্তা হয়। সেখানে ডিভিসি আধিকারিকরা আশ্বস্ত করেন যে, কোনো প্রকার আইনি নোটিশ ছাড়া আপাতত কোনো ব্যক্তিগত (প্রাইভেট) আবাসন বা দোকান ভাঙা হবে না।
ডিভিসি কর্তৃপক্ষের এই মৌখিক আশ্বাসের পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়। বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রশমিত করে বিক্ষোভ তুলে নেন।
