আসানসোল: আন্তঃরাজ্য গাঁজা পাচার চক্রের উপর পুলিশের বড় আঘাত, উদ্ধার 230 কেজি গাঁজা

কাজল মিত্র : ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তে সক্রিয় আন্তঃরাজ্য মাদক পাচার চক্রের বিরুদ্ধে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট বড় সাফল্য পেয়েছে। ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট (DD)-এর বিশেষ অভিযানে ঝাড়খণ্ডের জামতাড়া জেলা থেকে গাঁজা সরবরাহকারী মূল পাণ্ডাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ধৃত পাচারকারীর স্বীকারোক্তি ও তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জামতাড়া সীমান্ত সংলগ্ন বারাবনী থানা এলাকায় তৎক্ষণাৎ অভিযান চালায়। এই ফলো-আপ অপারেশনে পুলিশ 122 কিলোগ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেছে।একই নেটওয়ার্কে লাগাতার অভিযান: মোট 230 কেজি গাঁজা উদ্ধার
তদন্তকারী আধিকারিকদের মতে, জামতাড়া ও পশ্চিমবঙ্গের এই সীমান্ত এলাকা পাচারকারীদের মূল করিডোর হয়ে উঠেছিল। গত এক মাস ধরে এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

জামতাড়া থেকে মূল সরবরাহকারী গ্রেপ্তার। বারাবনী সীমান্ত এলাকা থেকে 122 কেজি গাঁজা উদ্ধার।

  • 29 জুলাই 2026: জামুড়িয়া থানা এলাকা থেকে চক্রের আরও 2 সদস্য গ্রেপ্তার। 4 কেজি গাঁজা বাজেয়াপ্ত।
  • 17 জুলাই 2026: সালানপুর থানা এলাকা, ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে এই একই নেটওয়ার্কের 105 কেজি গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। পুলিশ কমিশনারের বক্তব্য
    এ বিষয়ে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক পদস্থ আধিকারিক বলেন, “জামতাড়া-বাংলা সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারের চক্রকে আমরা টার্গেট করেছি। গত এক মাসে 230 কেজি গাঁজা উদ্ধার এবং মূল পাণ্ডার গ্রেপ্তার এই চক্রের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে। আমাদের তদন্ত এখনও চলছে। এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত বাকিদেরও খুব শীঘ্রই গ্রেপ্তার করা হবে।”
  • তিনি আরও বলেন, “সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও কড়া করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের সহযোগিতা ছাড়া এই লড়াই সম্ভব নয়।”পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, জামতাড়া ও বাংলা সীমান্তের নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দিতে গভীর তদন্ত চলছে। এই মামলায় চক্রের সঙ্গে জড়িত আরও অনেকের নাম সামনে আসতে পারে এবং আরও বড় উদ্ধারের সম্ভাবনা রয়েছে।পুলিশ সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন করেছে, কোনও সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখলে অবিলম্বে নিকটবর্তী থানায় খবর দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *