সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ নিজেদের দলীয় কার্যালয়ে একটি ফ্লেক্স লাগানোকে কেন্দ্র তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্বে মঙ্গলবার উত্তেজনা ছড়ায় পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে বেনাচিতি সংলগ্ন ধুনুরাপ্লট এলাকায়। ঘটনায় জানা গেছে, ওই পার্টি অফিসে দীর্ঘকাল ধরেই একটি ফ্লেক্সে লেখা ছিল ১৫ নম্বর ওয়ার্ড তৃমমূল পার্টি অফিস। কিন্তু,সেই ফ্লেক্সের উপর নতুন একটি ফ্লেক্স লাগিয়ে সেখানে লেখা হয় ২ নম্বর ওয়ার্ড ১৫ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল পার্টি অফিস। এটা নিয়েই দলের দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। ক্রমশ দুই পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্ক থেকে তা হাতাহাতিতে পৌঁছে গেলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অবশেষে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। স্থানীয় একটি সূত্রে জানা গেছে, ওই ওয়ার্ডের তৃণমূলের যুগ্ম আহ্বায়ক গৌরাঙ্গ বাগদির সঙ্গে ওই ওয়ার্ডেরই তৃণমূল যুব সহ সভাপতি লাল্টু ধীবরের মধ্যে চলছে ঠান্ডা লড়াই। তারই বহিঃপ্রকাশ দেখা যায় ওই ফ্লেক্স লাগানোর ঘটনায়। ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের যুব তৃণমূলের সহ সভাপতি লাল্টু ধীবরের লোকজন ধুনুরাপ্লটে তৃণমূল পার্টি অফিসে পনেরো নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেস লেখা সরকারি প্রকল্পর একটি ফ্লেক্স লাগিয়ে দিয়ে যায়। ওয়ার্ডের তৃণমূলের যুগ্ম আহ্বায়ক গৌরাঙ্গ বাগদির লোকজন সেই ব্যানার খুলে দিয়ে শুধু দু’নম্বর ব্লক পনেরো নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেস লেখা একটি ফ্লেক্স লাগিয়ে দেয়। এই খবর চাউর হতেই দুই গোষ্ঠীর লোকজনদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয় বচসা থেকে,হেনস্থার অভিযোগ তোলে দুই গোষ্ঠী। ১৫ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের যুগ্ম আহ্বায়ক গৌরাঙ্গ বাগদির অভিযোগ,বেনাচিতি অগ্রণী গলির একটি পার্টি অফিস বিক্রি করে দিয়ে এবার দলেরই একটি গোষ্ঠীর লোকজন এই পার্টি অফিসের দিকে নজর দিয়েছে। এটাও তারা বিক্রি করতে চাইছে। প্রতিবাদ করতে গিয়েই হেনস্থার শিকার হতে হয় তাদেরকে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে পনেরো নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল যুব সহ সভাপতি লাল্টু ধীবর বলেছেন, দলের পুরোনো কর্মীদের অপমান ও হেনস্থা করে চলেছে ওরা। তারই প্রতিবাদ করতে গেলে ওরা আমাদের উপর চড়াও হয়। শাসক দলের দুই গোষ্ঠীর এই বিবাদের জেরে এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগের সঞ্চার হয়েছে।
তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্বে উত্তেজনা বেনাচিতি এলাকায়
