কাজল মিত্র : কুলটি থানার ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে। একটি লাইন হোটেলের পিছনে এই কয়লা মজুদ করা ছিল। চারিদিকে আড়াল করে রাখা হয়েছিল। কয়লা মজুত থাকার কথা সিআইএসএফ জানতে পেরে ওই এলাকায় অভিযান চালাতেই মেলে প্রায় ৫০০ টন মজুদ কয়লা। পরে সেই কয়লা কয়েক ঘন্টা ধরে ডাম্পারে করে উদ্ধার করে সিআইএসএফ। সঙ্গে ছিল কুলটি থানার চৌরঙ্গী ফাঁড়ির পুলিশ। একটি হোটেলের পিছনে এত পরিমাণ কয়লা কেন মজুত রাখা হয়েছিল, কোথা থেকেই বা এই কয়লা এল। তার খোঁজ চালাচ্ছে সিআইএসএফের উদ্ধারকারী দল। প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি এখান থেকেই পাচার করার উদ্দেশ্যেই রাখা হয়েছিল এত পরিমাণ কয়লা ? প্রচুর পরিমাণে মজুদ থাকা কয়লা সিজ করছে সিআইএসএফ।

তবে এই ঘটনাস্থল থেকে কাউকে আটক বা গ্রেফতারের খবর নেই। শিল্পঞ্চল জুড়ে কয়লার বেআইনি কারবার ঘিরে সিবিআই এর তদন্ত এখনো জারি আছে। এই কয়লা কাণ্ডে সিবিআই এর চার্জসিটে রয়েছে কয়লা পাচারের
রাঘব বোয়ালদের নাম।আসানসোল সি বি আই আদালতে চলছে কয়লা পাচার মামলা।
এরপরেও শিল্পাঞ্চলের আনাচে-কানাচে বেআইনি এই কয়লা কারবারের দিকগুলি সামনে আসছেই।
