আসানসোল সাংগঠনিক জেলার বিজেপি নেতা তৃণমূলে, রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা

সংবাদদাতা ,দুর্গাপুর : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বঙ্গ সফরের দিনেই পশ্চিম বর্ধমান জেলায় বিজেপি শিবিরে বড় ধাক্কা। বিজেপির আসানসোল সাংগঠনিক জেলার প্রভারী প্রধান রূপক পাঁজা গেরুয়া শিবির ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। দুর্গাপুরে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে দলের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর হাত ধরে তিনি তৃণমূলের পতাকা তুলে নেন। এই ঘটনাকে ঘিরে জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা।তবে প্রশ্ন উঠছে, প্রধানমন্ত্রীর সফরের দিনেই কেন বিজেপি ছাড়লেন এক জেলা স্তরের নেতা? বিজেপির সংগঠনের ভিত কি তবে দুর্বল হচ্ছে পশ্চিম বর্ধমানে?তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর রূপক পাঁজা বিজেপির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। বিশেষ করে বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তেওয়ারির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন,

দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও সেখানে কাজের উপযুক্ত পরিবেশ পাননি।দলের ভিতরে অসঙ্গতি ও অগণতান্ত্রিক আচরণের অভিযোগও তোলেন তিনি। পাশাপাশি কয়লা ও বালি চুরির সঙ্গেও বিজেপির কিছু নেতার যোগ রয়েছে বলেও দাবি করেন রূপক পাঁজা।তিনি জানান,মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ও সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্প তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছে। সেই কারণেই তিনি তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।অন্যদিকে বিজেপির পাল্টা দাবি, তৃণমূল বারবার একই ব্যক্তিদের বিভিন্ন দলের কর্মী সাজিয়ে যোগদান দেখিয়ে প্রচার করছে।বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পশ্চিম বর্ধমানের রাজনৈতিক সমীকরণে এই যোগদান নতুন মাত্রা যোগ করল। তবে এটি কি সত্যিই বিজেপির ভাঙনের ইঙ্গিত, নাকি রাজনৈতিক কৌশল তা নিয়ে জেলাজুড়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *