কাজল মিত্র : পশ্চিম বর্ধমান জেলার সালানপুর থানার রূপনারায়ণপুর ফাঁড়ির অন্তর্গত বি২ সেক্টর-৩ এলাকার হিন্দুস্তান কেবলসের কোয়ার্টারে দীর্ঘদিনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার অভিযোগ উঠল। পাড়ায় অশান্তি সৃষ্টি এবং বাইরে থেকে দুষ্কৃতী এনে এলাকা উত্তপ্ত করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, তাঁরা প্রায় ৪০ বছর ধরে হিন্দুস্তান কেবলসের কোয়ার্টারে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছেন। তবে বিগত মাসখানেক ধরে এলাকারই কয়েকজন বাসিন্দা এলাকায় গোলমাল ও অশান্তি সৃষ্টি করছেন।এই বিষয়ে এলাকার এক বাসিন্দা তপন দাস জানান তার বাড়িতে ঢুকে বাড়ির আসবাবপত্র,সহ একাধিক জিনিসপত্র ভাঙচুর করে পঞ্চাশ হাজার টাকা নগদ লুট করে নিয়ে যায় দুস্কৃতীদের ওই দল।একই সাথে তাঁর স্ত্রী কে আকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও কাপড় ধরে টানার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করেন তপন বাবুর স্ত্রী মমতা দাস। তিনি জানান
যে ওই ঘটনার পিছনে বিজেপি ও আর এস এস এর আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতী হাত রয়েছে ।এর আগেও তাদের মেরে ফেলার হুমকি বলে অভিযোগ। এ বারে তাঁকে খুন করার উদ্দ্যেশেই দুস্কৃতীরা হামলা চালায় বলে সন্দেহ করছেন তাঁরা।

তপন বাবু ছাড়াও ওই এলাকায় আরও তিনটি বাড়িতে লোহার রড নিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে ।এবং গালিগালাজ করা হয়।
এবিষয়ে পায়েল মাহাতা জানান তিনি যখন বাড়ির মধ্যে ছিলেন তখন কিছু দুষ্কৃতী মুখে মাস্ক পরে তাদের বাড়িতে হামলা চালায় এবং গালিগালাজ করতে থাকে তবে কি কারনে হামলা চালায় তা তাদের জানা নেই ।তবে জানাযায় যে দুষ্কৃতীরা জয়শ্রী দে,সৌমেন দে, বিপ্লব চন্দ্র সঞ্জয় রজক,কল্যাণ ঘোষ , প্রতিমা ঘোষ এর বাড়িতেও এভাবে হামলা চালায় ।

বাসিন্দাদের অভিযোগ, অশান্তির মাত্রা বাড়াতে বাইর থেকে বহিরাগত দুষ্কৃতীদের এনে এলাকায় ভিড় জমানো হচ্ছে। এর ফলে পরিস্থিতি মারামারি এবং হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে, যা পুরো এলাকার নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে।তারা আরো জানান এই ঘটনার কারণে সাধারণ মানুষ চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।কিছু স্থানীয় ব্যক্তি এবং বহিরাগত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে পুরো এলাকাবাসীর তরফে, যাতে সাধারণ নিরীহ মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারেন।বিষয়টি নিয়ে পুলিশ প্রশাসন এখন কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন এলাকার আতঙ্কিত বাসিন্দারা।তবে খবর লেখা পর্যন্ত রুপনারায়নপুর পুলিশ জানিয়েছেন সেরকম কোন অভিযোগ তাদের কাছে জমা পড়েনি ।
অভিযোগ পেলে তদন্ত শুরু করা হবে।
