কাজল মিত্র : পর্যটন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধমূলক কাজকর্ম রুখতে তৎপর হল আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট। সেই লক্ষ্যেই শনিবার কল্যাণেশ্বরীতে হোটেল ব্যবসায়ীদের নিয়ে বিশেষ সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয়।কুলটির সহকারী পুলিশ কমিশনার এর উদ্যোগে একটি বেসরকারি হল-এ এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কুলটি ও সালানপুর অঞ্চলের বিভিন্ন হোটেল, লজ এবং গেস্ট হাউসের মালিক ও ম্যানেজাররা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কুলটির এসিপি জাবেদ হুসেন, সালানপুর থানার ওসি বিশ্বজিৎ মণ্ডল, চৌরাঙ্গী ফাঁড়ির ইনচার্জ তরুণময় সিংহ এবং কল্যাণেশ্বরী ফাঁড়ির ইনচার্জ পার্থ সরকার সহ পুলিশের অন্যান্য আধিকারিকরা।পুলিশ সূত্রে খবর, হোটেলগুলির আভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও নিশ্ছিদ্র করাই ছিল এই বৈঠকের প্রধান উদ্দেশ্য। এই দিন চারটি বিষয়ের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয় -১. হোটেলে অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে-মেয়েদের প্রবেশ সংক্রান্ত বিষয়ে POCSO আইন কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।
২. প্রতিটি হোটেলে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা রাখা এবং নিয়মিত তা রক্ষণাবেক্ষণ করা আবশ্যিক।
৩. বোর্ডারদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রাখা এবং সাইবার প্রতারণা রোধে সতর্ক থাকা।
৪. ভিন রাজ্য বা সীমান্ত এলাকা থেকে আগত অতিথিদের আধার কার্ড সহ পরিচয়পত্র ভালোভাবে যাচাই করে নথিভুক্ত করে রাখা।

এ প্রসঙ্গে এসিপি জাবেদ হুসেন জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে হোটেল ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে সমস্ত আইনি এবং প্রযুক্তিগত সুরক্ষা বিধি মেনে চলা বাধ্যতামূলক। পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে কোনও রকম গাফিলতি মেনে নেওয়া হবে না।
