সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: শান্ত সম্প্রীতির ও সংহতির শহর দুর্গাপুরকে যারা অশান্ত করতে চাইছে তাদের ধিক্কার জানিয়ে মানব বন্ধন করল তৃণমূল কংগ্রেস। বেনাচিতির পাঁচ মাথার মোড়ে জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের এই মানববন্ধন কর্মসূচিতে তৃণমূলের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী গরু কান্ডের মূল অভিযুক্ত বিজেপির যুব নেতা পারিজাত গাঙ্গুলির উদ্দেশে বলেন, বিধায়কের ( বিজেপি) শ্বশুরবাড়ির টেবিলের তলায় লুকিয়ে থাকলেও বিচার কিন্তু দুর্গাপুর কোর্টেই হবে। বিজেপির সাম্প্রদায়িক বিভেদের রাজনীতির অভিযোগে সুর চড়ান জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। একইসঙ্গে শিল্পাঞ্চল সহ জেলায় সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার সহ সাম্প্রদায়িক রাজনীতি বন্ধে তৃণমূল সব রকমের প্রচেষ্টা চালাবে বলেও জানান তিনি। এই কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি পার্থ দেয়াসি সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সোমবার এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্যে রাজ্যের বাইরে পরিযায়ী শ্রমিকদের ওপর পরিকল্পিত হামলার প্রসঙ্গ উঠে আসে। একইসঙ্গে বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যে বাংলা ভাষীদের ওপর আক্রমণের অভিযোগেও সরব হন নেতারা। উল্লেখ্য, সম্প্রতি দুর্গাপুরের ডিপিএল কলোনি এলাকায় গরু পাচার সন্দেহে নিউ টাউনশিপ থানার অন্তর্গত জেমুয়া গ্রামের চার বাসিন্দাকে বিজেপির যুবদলের হামলার মুখে পড়তে হয়। মারধর, লাঠিপেটা সহ প্রকাশ্যে তাদের কান ধরে ওঠবোস করানোর ঘটনায় বিজেপি যুব নেতা পারিজাত গঙ্গোপাধ্যায় সহ তার সঙ্গী শাগরেদদের নাম প্রকাশ্যে চলে আসে। তাদের হামলার হাত থেকে রেহাই মেলেনি বয়স্কদেরও। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তে নেমে এখনো পর্যন্ত চার জনকে গ্রেফতার করেছে কোক ওভেন থানার পুলিশ। তবে মূল অভিযুক্ত বিজেপির যুব নেতা পারিজাত গাঙ্গুলিকে এখনো গ্রেফতার করতে পারে নি পুলিশ। তার খোঁজ চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
