কাজল মিত্র : রাজ্যের পশ্চিম বর্ধমান জেলার একদিকে রয়েছে কয়লা খনি অন্যদিকে শিল্প কলকারখানা । সেই কারণে রানীগঞ্জ আসানসোল অঞ্চল যেমন কয়লা খনি হিসেবে পরিচিত ঠিক তেমনি দুর্গাপুর শিল্পশহর হিসাবে খ্যাত । শিল্প আর কয়লা খনিতে স্থানীয়দের পাশাপাশি কাজ করেন ভিন রাজ্যের ভিন্ন ভাষাভাষীর মানুষজনও । ভিন্ন ভাষার মানুষজন কর্মসূত্রে যেমন এখানে থাকেন তেমনি এদের একটা অংশ স্থায়ীভাবেও বসবাস করেন এলাকাতে । বাঙালি আর অবাঙালিরা মিলেমিশে বসবাস করায় এখানে গড়ে উঠেছে একটা মিশ্র সংস্কৃতি । তাই পশ্চিম বর্ধমান জেলাকে মিনি ভারত বলা চলে, কারণ সমস্ত ভাষাভাষী মানুষের বাস এই জেলাতে । এখানে যেমন আড়ম্বরে আয়োজিত হয় দুর্গাপুজো, কালীপুজো, সরস্বতী পুজো, তেমনি হয় ঈদ, কুরবানীর গুরু নানকের জন্মজয়ন্তী থেকে বড়দিনের উৎসব সবই । কথাতে আছে ধর্ম নিজের নিজের উৎসব সবার । তাই বিভিন্ন ধর্ম বিভিন্ন ভাষাভাষীর উৎসবে সবাইকে সামিল হতে দেখাটা এখানে স্বাভাবিক ব্যাপার । সম্প্রীতির এই সংস্কৃতি পশ্চিম বর্ধমান জেলাতে যুগ যুগান্তর ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে । আর এই ধারাকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন পশ্চিম বর্ধমান জেলার শাসক দল তথা তৃণমূলের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ও তার সহযোদ্ধারা ।
২৫ হাজার ছট ব্রতীর হাতে ছট সামগ্রী তুলে দিলেন বিধায়ক তথা জেলার সভাপতি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
