সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা রাজ্যে তৃণমূলের সংগঠনে বেশ কিছু রদবদল করেছেন দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সাধারন সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একাধিক জেলার সভাপতিও বদল করা হয়েছে। তবে,পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূলের দায়িত্ব পুনরায় নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকেই দেওয়া হয়েছে। শনিবার দুর্গাপুরে পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সভায় উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি তথা পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, পার্শ্বশিক্ষক সংগঠনের জেলা সভাপতি প্রতিভানাথ রায়,তৃণমূল নেতা পঙ্কজ রায় সরকার প্রমূখ।

এই সভায় পুনরায় তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্য নরেন চক্রবর্তীকে সংবর্ধনা জানায় পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। জেলা সমিতির পাশাপাশি জেলার ১৫টি চক্রের পক্ষ থেকেও আলাদাভাবে নরেন চক্রবর্তীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সংবর্ধনা পাওয়ার পর নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীও শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সমস্ত কাজে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। উল্লেখ্য,এই সভা থেকেই পশ্চিম বর্ধমান তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী নতুন এই কমিটি ঘোষণা করেন।

মোট ৩১ জনের জেলা কমিটি তৈরি করা হয়েছে। পশ্চিম বর্ধমান তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির জেলা সভানেত্রী হিসেবে দেবারতি সিনহার নাম ঘোষণা করা হয় এবং কার্যকরী সভাপতি হিসেবে সৈয়দ আশিক আলীর নাম ঘোষণা করা হয়। ৩১ জনের এই কমিটির মধ্যে তিনজন ভাইস প্রেসিডেন্ট, তিনজন জেনারেল সেক্রেটারি,পাঁচজন সেক্রেটারি এবং ৭ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি রয়েছেন। পশ্চিম বর্ধমান জেলার ১৫টি চক্রের প্রত্যেকটি থেকেই শিক্ষক প্রতিনিধি এই কমিটির মধ্যে রয়েছে। সংগঠনের জেলা সভানেত্রী দেবারতি সিনহা জানিয়েছেন খুব তাড়াতাড়ি প্রতিটি চক্রের কমিটি গঠন করা হবে। সভায় প্রাথমিক শিক্ষকদের বিভিন্ন পেশাগত সমস্যার যাতে দ্রুত সুরাহা হয় তার জন্য শিক্ষকরা জেলা সভাপতির কাছে আবেদন জানান এবং ২০২৬ এর বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে জেলা সভাপতি নির্দেশানুসারে সমস্ত রকম কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের অঙ্গীকার করেন।
