ট্রাফিক কর্মীদের ছাতা ও জলের বোতল উপহার মহিলা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের

সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ পথ নিরাপত্তা আমাদের সমাজে ভীষনভাবেই জরুরি। কারন মানুষ বিভিন্ন কাজে রাস্তায় বের এবং সেক্ষেত্রে পথের নিরাপত্তার প্রয়োজন হয়। রাস্তায় যাতে কোনো দুর্ঘটনা ও মানুষ বিপদে না পড়ে তার জন্য পুলিশের ট্রাফিক গার্ড বিভাগ রয়েছে। এই বিভাগের কর্মীরা সারা বছর রোদ জল মাথায় নিয়ে পথ নিরাপত্তার বিষয়টি দেখে। রাস্তায় যাতে যানবাহন নিয়ম মেনে চলাচল করে এবং মানুষ যাতে কোনো বিপদে না পড়ে,সেদিকে তাদের সর্বদাই কড়া নজর থাকে। একই সঙ্গে পথ দুর্ঘটনা কমানো ও ট্রাফিক আইন নিয়ে সাধারণ মানুষ সহ বিভিন্ন ছোট ও বড় গাড়ির চালকদের সচেতন করার লক্ষ্যে সারা বছর “সেভ ড্রাইভ সেফ লাইফ” কর্মসূচীও পালন করে ট্রাফিক গার্ড।

সেই সব ট্রাফিক কর্মীদের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে দেখা গেল দুর্গাপুরের দশভূজা নারী শক্তি ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির মহিলা সদস্যদের। সম্প্রতি, দুর্গাপুর আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের দুর্গাপুর সাব ট্রাফিক গার্ডের আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে রঘুনাথপুর মোড়,সবুজ নগর মোড়,কনিষ্ক মোড় ও ভগৎ সিং মোড়ে কর্মরত ট্রাফিক গার্ড কর্মীদের হাতে উপহার স্বরূপ একটি করে ছাতা ও জলের বোতল তুলে দেন তারা। উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর সাব ট্রাফিক গার্ড ওসি আমিনুর রহমান খান, এএসআই ইন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি, এএসআই নন্দন দত্ত, দশভূজা নারী শক্তি ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সম্পাদিকা শোভা বিশ্বাস,সভাপতি রীতা সরকার,সিনিয়ার সদস্যা দিপালী সাহা। সংস্থার সম্পাদিকা শোভা বিশ্বাস বলেন, দুর্গাপুর দশভূজা নারী শক্তি ওয়েলফেয়ার সোসাইটি মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। রক্তদান শিবির,স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করার পাশাপাশি সারা বছর সংস্থার সদস্যরা নিজেদের সাধ্যমত সমাজের দুঃস্থ মানুষদের পাশে থাকার চেষ্টা করে। এছাড়াও বিভিন্ন উৎসবের সময় বয়স্ক বাবা মা ও ছোট ছোট ছেলে ও মেয়েদের উপহার দিয়ে তাঁদের মুখে সামান্য হাসি ফোটানোর চেষ্টা করে। এবার আমাদের ট্রাফিক গার্ডের ভাই ও দাদারা যারা সারা বছর ধরেই রোদ, ঝড় ও বৃষ্টি মাথায় নিয়ে আমাদের পথ নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে কাজ করে চলেছেন, তাঁদের এই কর্তব্যকে সম্মান জানাতেই তাঁদের হাতে ছাতা ও জলের বোতল উপহার স্বরূপ তুলে দেওয়া হল। দুর্গাপুর দশভূজা নারী শক্তি ওয়েলফেয়ার সোসাইটির মহিলা সদস্যদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন পথ চলতি মানুষেরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *