পিঠাকিয়ারি হাসপাতালে আয়োজিত হল জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধেবিশেষ শিবির

কাজল মিত্র :- সারাদেশের সঙ্গেই পশ্চিমবঙ্গেও মেয়েদের জরায়ুমুখ ক্যান্সার একটি বড় স্বাস্থ্য সমস্যা।
পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য বিভাগ এর তরফে মেয়েদের জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে বিশেষ ভাবে সচেতনতা শিবির সহ ১৪/১৫ বছর বয়সী মেয়েদের এইচপিভি প্রতিষেধক বা জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য বিশেষ প্রতিষেধক দেওয়া চালু হয়েছে ।যার জন্যে
সালনপুর ব্লক এর পিঠাকিয়ারি হাসপাতেলেও এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করলেন বারাবনির বিধায়ক অরিজিৎ রায়। এদিন প্রতিষেধক প্রাপকদের হাতে শংসাপত্রও তুলে দেন তিনি। এ প্রসঙ্গে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার বিনয় রায় বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে বলেন ১৪/১৫ বছর বয়সী কিশোরীদের সারা জীবনে একবারই এই প্রতিষেধক নিতে হবে। ‌ সালানপুর ব্লকে প্রায় দেড় হাজার কিশোরীকে এই প্রতিষেধক দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে হাসপাতাল। ‌ এজন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্য কর্মীরা প্রাপকদের তালিকা তৈরি করবেন। ‌ প্রতিদিন অন্তত ৩০ থেকে ৩৫ জনকে হাসপাতালে এই প্রতিষেধক দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ‌আজ ৩০ মে ১৫ জনকে এই প্রতিষেধক দেওয়া হয়। ছুটির দিন বাদে সপ্তাহের প্রতিটি দিনই প্রতিষেধক দেওয়া হবে। ‌

ডক্টর বিনয় রায় জানান এই রাজ্যে প্রতি বছর গড়ে চার হাজার মহিলার মৃত্যু ঘটে এই সমস্যায়। ‌ সেজন্যই এই সমস্যাকে প্রথমেই রোধ করার জন্য ১৪-১৫ বছর বয়সেই কিশোরীদের এই প্রতিষেধক দেওয়া হচ্ছে। ‌ সরকারি উদ্যোগে বিনা ব্যয়ে এই প্রতিষেধক দেওয়া হলেও বেসরকারি ক্ষেত্রে নিতে গেলে বেশ কয়েক হাজার টাকা মূল্য চোকাতে হয়। সেক্ষেত্রে সরকারি ব্যবস্থাপনায় এই টিকা দেওয়ার উদ্যোগ মহিলাদের স্বাস্থ্য রক্ষায় অত্যন্ত কার্যকরী একটি সরকারি পদক্ষেপ।
এদিন এই অনুষ্ঠানের পাশাপাশি স্বর্গীয় গীতা নিয়াগী এর স্মরনে হাসপাতাল চত্বরে
সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্যে একটি ওয়াটার কুলার বসানো হয় যার ফিতে কেটে শুভ উদ্বোধন করলেন বিধায়ক অরিজিৎ রায় ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *