সালানপুর ও বারাবনি ব্লকে পুলিশের অভিযান বাজেয়াপ্তজন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্টার,

কাজল মিত্র : রাজ্যজুড়ে চলছে পুরসভাও পঞ্চায়েত গুলিতে পুলিশের তল্লাশি অভিযান ।পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিজেদের হেফাজতে নিচ্ছে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্টার, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও রেকর্ড।তদন্তের স্বার্থে এই নথিগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর ।তৃণমূল আমলে জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্রে দুর্নীতির অভিযোগ। এসআইআরের সময় ভুয়ো বা নিয়ম বহির্ভূতভাবে দেওয়া হয়েছে শংসাপত্র। সেই অভিযোগে রাজ্যজুড়ে তল্লাশি অভিযানে পুলিশ। সালানপুর ব্লক এর এগারোটি পঞ্চায়েত ও বারাবানি ব্লকের আটটি পঞ্চায়েত এও , চালানো হল পুলিশের হানা।তল্লাশি চালিয়ে বাজেয়াপ্ত করল জন্ম মৃত্যু সংক্রান্ত রেজিস্টার, ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ।

প্রসঙ্গত জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্রে জালিয়াতি রুখতে আগেই নতুন নিয়ম জারি করেছিল রাজ্য সরকার। এ বার জন্ম-মৃত্যুর ভুয়ো শংসাপত্র বিতরণে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে জেলায় জেলায় শুরু হলো পুলিশি অভিযানও।তার মধ্যেই বৃহস্পতিবার মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালও জানিয়ে দিলেন, এ বার থেকে জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র দিতে পারবেন না রাজ্যের পুরপ্রধান বা পঞ্চায়েত প্রধানরা। অর্থাৎ, কোনও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরই আর সেই ক্ষমতা থাকবে না। এ বার এই ধরনের শংসাপত্র দিতে পারবেন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকেরাই।

বৃহস্পতিবার মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র বিতরণে বিস্তর গরমিলের প্রমাণ মিলেছে। আর এই ধরনের ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর-এর সময়ে। মুখ্যসচিব বলেন, ‘পুলিশের কাছেও অনেক অভিযোগ এসেছে। অনেক জায়গায় নকল জন্ম শংসাপত্র ধরা পড়েছে। অনেকে সুযোগসুবিধা নিয়েছেন। নিয়ম থাকলেও বহু অনিয়ম হয়েছে।’ রাজ্য সরকার জানিয়ে দিয়েছে, ১৯৯৭ সাল থেকে নথিবদ্ধ হওয়া সব শংসাপত্র আবার যাচাই করবে সরকার। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা হবে। কারও কাছে ভুয়ো শংসাপত্র থাকলে তা বাতিল হবে।তবে মুখ্যসচিবের আশ্বাস, ‘কারও ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এই জন্ম শংসাপত্র যাচাই শুধুমাত্র একটা নিয়ম। দুর্নীতিমুক্ত করতেই এই পদক্ষেপ। সরকারি আধিকারিকেরাই এটা যাচাই করবেন। কোনও চুক্তিভিত্তিক কর্মী যাচাই করবেন না।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *