গ্রামে-গঞ্জে আলঝাইমার নিয়ে সচেতনতা প্রচারে গবেষক, মহিলারাই বেশি আক্রান্ত

নিজস্ব সংবাদদাতা, কাজল মিত্র: আলঝাইমার বা ডিমেনশিয়া – এই নিউরো-ডিজেনারেটিভ রোগ নিয়ে গ্রামে-গঞ্জে সচেতনতার অভাব রয়েছে। সেই সচেতনতা বাড়াতেই মাঠে নেমেছেন কলকাতার এক কলেজের গবেষক সৃজিতা মজুমদার শিকদার।এদিন এক সচেতনতা শিবিরে তিনি জানান, বিশেষ করে যারা অশিক্ষিত এবং গ্রামে থাকেন, তাদের মধ্যেই এই রোগের প্রভাব বেশি দেখা যাচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, মহিলারা সবচেয়ে বেশি এফেক্টেড হচ্ছেন, কারণ সারাজীবন ঘর-সংসারের কাজে ব্যস্ত থেকে নিজেদের যত্ন নিতে পারেন না। রান্নাঘরের ধোঁয়াও এর একটি বড় কারণ।

তিনি আরও বলেন, আগে ভাবা হত ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের ডিমেনশিয়া হয়। কিন্তু এখন ৪৫ বছরের পর থেকেই ‘ইয়ং অনসেট ডিমেনশিয়া’ দেখা যাচ্ছে। বাচ্চাদের এই রোগ হয় না, এটি একটি প্রোটিন জনিত সমস্যা।

রোগের কারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দূষিত জল একটি বড় কারণ। কল-কারখানার বর্জ্য নদীতে ফেলা হচ্ছে, সেই নদীর মাছ ও জল আমরা খাচ্ছি। দীর্ঘদিন ধরে ফিল্টার ছাড়া জল খাওয়া এবং মাছের তেলের মধ্যে জমে থাকা মার্কারি (পারদ) জাতীয় পদার্থ শরীরে জমে এই রোগের সৃষ্টি করছে।

সমাধানের পথ হিসেবে তিনি বলেন, জল ভালো করে ফুটিয়ে ফিল্টার করে খেতে হবে। এটি লজ্জার বা পাগলের রোগ নয়। পরিবারের কারোর ভুলে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত ব্রেনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে এর চিকিৎসা সম্ভব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *