কাজল মিত্র: একদিকে যখন সালানপুর ব্লকে বালির জন্যে হাহাকার থমকে আছে বিভিন্ন কনস্ট্রাকশন এর কাজ ।ঠিক অন্য দিকে চোরাপথে চলছে অবৈধ বালি কারবার ।যদিও সালানপুর ব্লকে এখনও সরকারি অনুমতি প্রাপ্ত কোন বালিরঘাট এর ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি।যাকিছু চলছে চোরা পথে।এবার সেই চোরা কারবারিদের ধরতে মাঠে নেমে পড়েছে পুলিশ প্রসাশন ।সেইমত রূপনারায়ণপুর ফাঁড়ির পুলিশ গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে সালানপুর ব্লকের চয়নপুর খেলার মাঠ থেকে বাজেয়াপ্ত করল এক অবৈধ বালি বোঝাই ট্রাক্টর আটক করাহয় এক চালককে ।ধৃতের নাম উমেশ সোরেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার ভোররাত আনুমানিক ৪টে নাগাদ রূপনারায়ণপুর ফাঁড়ির একটি দল গোপন সূত্রে খবর পেয়ে জিৎপুর এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালায়। সেই সময় WB 37K 7960 নম্বরের একটি বালি বোঝাই ট্রাক্টর আটক করে পুলিশকর্মীরা। ট্রাক্টরের চালককে বালি পরিবহনের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে বলা হলে তিনি তা দেখাতে ব্যর্থ হন। এরপরই চালককে গ্রেফতার করার পাশাপাশি ট্রাক্টরটি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ।ধৃত উমেশ সোরেনকে আজই আসানসোল আদালতে পেশ করা হয়েছে। বালি পাচারের এই চক্রের মূল শিকড় পর্যন্ত পৌঁছাতে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের স্বার্থে ধৃতকে ৭ দিনের জন্য পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্র মারফত খবর, সুকুমার মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি জিৎপুর এলাকায় বেআইনিভাবে বিপুল পরিমাণ বালি মজুদ করে রেখেছিলেন। রূপনারায়ণপুর সংলগ্ন এলাকায় পুলিশের নজর এড়াতে সাধারণত রাতের অন্ধকারেই চলত এই কারবার। বেশ কিছুদিন ধরে মজুদ করা সেই বালি রাতের বেলা চড়া দামে পাচার করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ।এই অবৈধ বালি সিন্ডিকেটের পেছনে আর কাদের হাত রয়েছে এবং এই বালির মূল উৎস কোথায়,তা খতিয়ে দেখতে সালানপুর থানার রূপনারায়ণপুর ফাঁড়ির পুলিশ জোরকদমে তদন্ত শুরু করেছে।
