কাজল মিত্র: ২০২৬ সালের বাংলা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে পলাতক থাকা বারাবনী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অসিত সিং এবং তাঁর ভাই বিশ্বজিত সিংকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়াও, বারাবনীর প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা আকবর আলম কেও পুলিশ ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে ।পশ্চিমবঙ্গের আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ বেশ কয়েকটি বড় সাফল্য অর্জন করেছে। পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে কুলটি থানা এলাকার ডুবুডিহ চেকপোস্ট থেকে বারাবনী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা বারাবনী বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস ব্লক সভাপতি অসিত সিং এবং তাঁর ভাই বিশ্বজিৎ সিংকে গ্রেপ্তার করেছে।পুলিশ গোপন সূত্রে পেয়ে দুজনকেই একটি হোটেল এর সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে । এছাড়াও, বারাবানি এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা আকবর আলমকে ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর আজাদনগর থানা এলাকা থেকে আটক করা হয়।জানাজায় যে আকবর তাঁর মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে লুকিয়ে ছিলেন।

পুলিশ ১৪ দিনের রিমান্ড চাইবে
বারাবানি থানার ৯৮/২৮ (২০২১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা) নম্বর মামলার সূত্রে তাঁদের সবাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে তাঁদের হীরাপুর থানায় আটক রাখা হয়েছে। পুলিশ তাঁদের শুক্রবার আসানসোল আদালতে পেশ করা হয়!শুক্রুবার তাঁদের দুই ভাই কে আসানসোল আদালতে পেশ করার সময় আদালত চত্বরে চোর চোর স্লোগান, জুতো দেখানো হয়!যদিও আদালত চত্বরে কড়া নিরাপত্তার বলয়ে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি তে আদালতে পেশ করে!এদিন মাফিয়া আকবর আলম তথা অসিত সিংহ ঘনিষ্ট হিসাবে পরিচিত তাকেও এদিন আদালতে পেশ করা হয়!জানা যায় তৃর্ণমুলের ঘনিষ্ট আকবর আলম কে টাটা জামশেদপুর পুর থেকে গ্রেফতার করে তাকেও আদালত চত্বরে চোর চোর স্লোগান দেওয়া হয়!

প্রসঙ্গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর এই তিন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। তাঁদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা নথিভুক্ত রয়েছে। তাঁদের গ্রেপ্তার করার জন্য পুলিশের ওপর যথেষ্ট চাপ ছিল। অবশেষে, এই তিনজনের গ্রেপ্তারে স্বস্তির নিঃশ্বাস পড়েছে। আরও বেশ কয়েকজন নেতা এখনও পলাতক রয়েছেন এবং পুলিশ তাদের তল্লাশি চালাচ্ছে ।
